আপনার দোকানের জন্য অথবা বড়  কোনো অনুষ্ঠানের জন্য  অর্ডার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন , দাম আলোচনা সাপেক্ষে কম রাখা হবে। 
আপনার দোকানের জন্য অথবা বড়  কোনো অনুষ্ঠানের জন্য  অর্ডার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন , দাম আলোচনা সাপেক্ষে কম রাখা হবে। 
আপনার দোকানের জন্য অথবা বড়  কোনো অনুষ্ঠানের জন্য  অর্ডার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন , দাম আলোচনা সাপেক্ষে কম রাখা হবে। 
আপনার কোনো অনুষ্ঠানের জন্য মিষ্টি প্রয়োজন হলে আমাদের কাছে অর্ডার দিতে পারেন , আমরা কম খরচে আপনার ঠিকানায় নিজ দায়িত্বে দিয়ে আসবো দেশের জনপ্রিয় মিষ্টি গুলো কোনো প্রকার  ডেলিভারি চার্জ ছাড়াই।
আমাদের শোরুমে সরাসরি টাঙ্গাইলে থেকে অরিজিনাল ঘোর ঘোষের চমচম এনে বিক্রি করি , প্রতিদিনের মিষ্টি প্রতিদিন বিক্রি করা হয় এখানে কোনো বাসি  মিষ্টি বিক্রি হয় না. আপনার কোনো অনুষ্ঠানের জন্য মিষ্টি প্রয়োজন হলে আমাদের কাছে অর্ডার দিতে পারেন , আমরা কম খরচে আপনার ঠিকানায় নিজ দায়িত্বে দিয়ে আসবো দেশের জনপ্রিয় মিষ্টি গুলো কোনো প্রকার  ডেলিভারি চার্জ ছাড়াই। সর্বনিন্ম ৩ কেজি অর্ডার করলে এই সেবা পাবেন। প্রতি কেজি ২৮০ টাকা। 
CALL NOW
01673228540
CALL NOW
01673228540
CALL NOW
01673228540
CALL NOW
01673228540

কোনো উপলক্ষ পেলেই বাঙালির মিষ্টি না হলে কি চলে! মিষ্টিমুখ বলে একটা কথা আছে না! মিষ্টি ঠিক যেন বাংলাদেশের ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে। নানা পালাপার্বণে মিষ্টি যেন থাকা চাই-ই চাই। মিষ্টিমুখ ছাড়া উৎসব যে বেমানান! রসগোল্লা, পান্তুয়া, চমচম যে আমাদের কতকালের ঐতিহ্য। হাতের কাছেই এখন মিষ্টির দোকান। সেখানে থরে থরে সাজানো মিষ্টি। কিন্তু একবার দেশটার সব জেলাগুলোর দিকে তাকান না! কত স্বাদের আর নামের মিষ্টি সেখানে। চলুন জেনে আসি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিখ্যাত সব মিষ্টি সম্পর্কে:

টাঙ্গাইলের চমচম

পোড়াবাড়ির চমচম সর্বপ্রথম তৈরি করেন দশরথ গৌড়। আসাম থেকে টাঙ্গাইলে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। ধলেশ্বরী নদীর সুস্বাদু পানি ও দেশি গাভীর খাঁটি দুধ দিয়ে বিশেষ এই মিষ্টি তৈরি শুরু করেন। তার সাফল্য দেখে অন্যরাও তাকে অনুসরণ করতে শুরু করেন। এভাবেই পোড়াবাড়ি গ্রামটি চমচমের জন্য খ্যাতি লাভ করে।

টাঙ্গাইলের চমচম সারা দেশেই বিখ্যাত তার ভুবন ভোলানো স্বাদের জন্য। ব্রিটিশ আমলেও এ চমচমের স্বাদ গোটা উপমহাদেশেই বিখ্যাত ছিল। এখনও তেমনি বিখ্যাত। এ চমচমগুলো সাধারণত লালচে রঙের যার উপড়িভাগে চিনির গুড়ো থাকে। আর ভেতরের অংশ অনেক রসালো আর নরম। চমচমের গুণগত মান আর স্বাদ মূলত পানি আর দুধের অনুপাতের ওপরই নির্ভর করে।

দই

গুড়ার খাবারের কথা উঠলেই প্রথমে আসে দই। কোনো বিকল্প নেই। দইয়ের স্বাদ না নিয়ে বগুড়া ছাড়া খুব কষ্টসাধ্য। প্রায় ২০০ বছর বয়স হতে চলল। বগুড়ার নওয়াববাড়িতে বেড়াতে এসে ব্রিটিশরাও এর স্বাদ নিয়েছিল। বিলাতে ফিরে গিয়ে গল্পও বলেছে।

দেশের গুণী কথাশিল্পী সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখায় বাংলাদেশের রসগোল্লা নিয়ে রোম এয়ারপোর্টে কি কাহিনিই না ঘটেছিল। রসগোল্লার স্বাদ পেতে ইমিগ্রেশনের বড়কর্তা নাছোড় বান্দার মতো জেরা করে শেষ পর্যন্ত রসগোল্লার হাঁড়ি খুলেই ফেলেছিল। এমন মজার গল্প আজও পাঠকদের নাড়া দেয়। বগুড়ার দই এখন আর কোনো নিদিষ্ট এলাকায় নয়, সারা দেশ বা ঢাকার বাজারও দখল করে নিয়েছে।

 

মানিকগঞ্জের রসগোল্লা

সারাদেশেই রয়েছে মানিকগঞ্জের মিষ্টির কদর। রসগোল্লা, জিলাপী, দধি, মাসকলাই আমিত্তি, রসমালাই, সন্দেশ, কালোজাম, চমচম প্রভৃতি নানান স্বাদ রঙ এবং প্রভৃতি মিষ্ট তৈরী করতে দুধ, চিনি, গুড়, মাসকলাইসহ অন্যান্য উপকরণ ক্রয় এবং মিষ্টি তৈরী। ঢাকা শহরের কাছে কিন্তু পত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল হওয়ায় দুধের দাম কম হওয়ায় খাঁটি মিষ্টির নিশ্চয়তা , দুধ ছাড়া কখনো ভাল ছানা হয় না আর ভাল ছানা ছাড়া ভাল মিষ্টির আশা করা যায় না। 

আমাদের শোরুমে  দেশের বিখ্যাত  মিষ্টি গুলো  সরাসরি এনে বিক্রি করি , প্রতিদিনের মিষ্টি প্রতিদিন বিক্রি করা হয় এখানে কোনো বাসি  মিষ্টি বিক্রি হয় না।  আপনার কোনো অনুষ্ঠানের জন্য মিষ্টি প্রয়োজন হলে আমাদের কাছে অর্ডার দিতে পারেন , আমরা কম খরচে আপনার ঠিকানায় নিজ দায়িত্বে দিয়ে আসবো দেশের জনপ্রিয় মিষ্টি গুলো কোনো প্রকার  ডেলিভারি চার্জ ছাড়াই। সর্বনিন্ম ৩ কেজি অর্ডার করলে এই সেবা পাবেন।
প্রতি কেজি মানিকগঞ্জের সন্দেশ ৭০০ টাকা।
প্রতি কেজি মানিকগঞ্জের রসমালাই  ৫০০ টাকা।
প্রতি কেজি মানিকগঞ্জের রসগোল্লা  ২২০ টাকা।
প্রতি কেজি মানিকগঞ্জের কালোজাম ২৫০ টাকা।
আমাদের শোরুমে  দেশের বিখ্যাত  মিষ্টি গুলো  সরাসরি এনে বিক্রি করি , প্রতিদিনের মিষ্টি প্রতিদিন বিক্রি করা হয় এখানে কোনো বাসি  মিষ্টি বিক্রি হয় না।  আপনার কোনো অনুষ্ঠানের জন্য মিষ্টি প্রয়োজন হলে আমাদের কাছে অর্ডার দিতে পারেন , আমরা কম খরচে আপনার ঠিকানায় নিজ দায়িত্বে দিয়ে আসবো দেশের জনপ্রিয় মিষ্টি গুলো কোনো প্রকার  ডেলিভারি চার্জ ছাড়াই। সর্বনিন্ম ৩ কেজি অর্ডার করলে এই সেবা পাবেন।
প্রতি কেজি টাঙ্গাইলের  দই  ২৫০ টাকা।
প্রতি কেজি বগুড়ার দই  ২৩০ টাকা।
প্রতি কেজি মানিকগঞ্জের দই  ২২০ টাকা।

মুক্তাগাছার মণ্ডা

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার নাম নিলেই চলে আসে মণ্ডার নাম। এখানকার মণ্ডার সুখ্যাতি শোনেননি, এমন মানুষ বোধ হয় কম পাওয়া যাবে। আর এই মানুষেরা মণ্ডার নাম শুনে দেরি করেন না। কিনে নেন সুস্বাদু এই মিষ্টি। ময়মনসিংহ সদর থেকে ১৬ কিলোমিটার পশ্চিমের মুক্তাগাছা। সেখানে গেলে এক সঙ্গে জমিদারবাড়ি দর্শন করাও হয় সঙ্গে মণ্ডার স্বাদও নেয়া যায়। মুক্তাগাছায় গিয়ে মণ্ডা না খেলে কি চলে! এখানে মণ্ডার জন্য সবচেয়ে প্রসিদ্ধ দোকানের নাম ‘গোপাল পালের প্রসিদ্ধ মণ্ডার দোকান’।

দেশের বাইরেও মণ্ডার রয়েছে আলাদা কদর। উপমহাদেশের প্রখ্যাত সারোদ বাদক ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ও রাশিয়ার কমরেড স্ট্যালিন মণ্ডা খেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে প্রশংসা করেছেন। দুধ ও চিনি মণ্ডা তৈরির মূল উপাদান। বর্তমানে ২০টির এক কেজি মণ্ডা ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। মণ্ডা তৈরির পর ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয় না। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় গরমের সময় ৩/৪ দিন ও শীতকালে ১০/১২ দিন ভালো থাকে।

 

নেত্রকোণার বালিশ মিষ্টি

নেত্রকোনা জেলার একটি প্রসিদ্ধ মিষ্টির নাম বালিশ মিষ্টি। এটি আকারে বালিশের মত বড় নয় ঠিকই কিন্তু আকৃতিগত দিক থেকে অনেকটাই বালিশের মতো। এ মিষ্টির উপরে ক্ষীরের প্রলেপ থাকে বলে একে অনেকটাই বালিশের মতো দেখায়। এ মিষ্টি তৈরি হয় দুধ, ছানা, চিনি আর ময়দা দিয়ে। প্রথমে দুধের ছানার সঙ্গে সামান্য ময়দা মিশিয়ে মন্ডের মতো প্রস্তুত করা হয়। এরপর সেই মন্ড থেকে তৈরি করা হয় বিভিন্ন সাইজের বালিশ যা পরে চিনির গরম রসে ভাজা হয়। এরপর ঠান্ডা করে চিনির রসে ডুবিয়ে রাখা হয় বেশ কিছুক্ষণ। বিক্রি করার সময় আরেক দফা এর উপড় ক্ষীরের প্রলেপ দেয়া হয়।এ মিষ্টি বিক্রি হয় পিস হিসেব। এর তিন ধরনের আকৃতি আছে। তবে বড় আকৃতির বালিশের আকার সাধারণত ১৩-১৪ ইঞ্চির মতো হয়ে থাকে।

 
নওগাঁর প্যারা সন্দেশ
নওগাঁর প্যারা সন্দেশের সুখ্যাতিও এখন বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশে পৌঁছেছে। এই সন্দেশ যারা তৈরি করেন তারা সুস্পষ্টভাবে বলতে পারেননি ঠিক কখন থেকে নওগাঁর ‘প্যারা’ সন্দেশের প্রচলন শুরু হয়েছে। এটি তৈরির সময় তরল দুধের সাথে চিনি মিশিয়ে তা ভালোভাবে জ্বাল করে ক্ষীর তৈরি করা হয়। ক্ষীর যখন জড়িয়ে আসতে শুরু করে তখন গরম ক্ষীর দুই হাতের তালুর মাঝে সামান্য চাপ দিতে হয়। এভাবেই তৈরি করা হয় প্যারা সন্দেশ। এর রঙ হালকা খয়েরি রঙের। এ সন্দেশগুলো প্রস্থে প্রায় ১/২ ইঞ্চি আর লম্বায় ২ ইঞ্চি হয়ে থাকে। ১ কেজি প্যারা সন্দেশ তৈরি করার জন্য প্রয়োজন পড়ে ৭ লিটার দুধ। এ মিষ্টির অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো এতে দুধ আর চিনি ছাড়া অন্য কোনো উপকরণ ব্যবহার করা হয় না।
মেহেরপুরের সাবিত্রী রসকদম্ব
স্বাধীন বাংলাদেশর প্রথম রাজধানী মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর চেনেন অনেকেই। মেহেরপুর কিন্তু মিষ্টির জন্যও বিখ্যাত। রস নেই তবু রসকদম্ব আর সাবিত্রী নামের মিষ্টি দুটি মেহেরপুর জেলার ১৫০ বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। সাবিত্রী আর রসকদম্ব দীর্ঘদিন বিদেশে পাড়ি। এই মিষ্টির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ফ্রিজে না রেখে এক সপ্তাহ আর ফ্রিজে এক মাসেরও বেশি একই স্বাদ বজায় থাকে। দুধ তথা দুধের চাছি আর চিনিই মূলত এই মিষ্টি তৈরির উপকরণ। তবে মিষ্টি তৈরির সবচেয়ে বড় দিক হচ্ছে চুলায় জ্বাল দেওয়ার বিষয়টি। নির্দিষ্ট সময়ব্যাপী নির্ধারিত তাপে মিষ্টির চুলায় জ্বাল দিতে হয়। সুচারুভাবে জ্বাল দেওয়ার কাজটি করতে হয়।
আমাদের শোরুমে  দেশের বিখ্যাত  মিষ্টি গুলো  সরাসরি এনে বিক্রি করি , প্রতিদিনের মিষ্টি প্রতিদিন বিক্রি করা হয় এখানে কোনো বাসি  মিষ্টি বিক্রি হয় না।  আপনার কোনো অনুষ্ঠানের জন্য মিষ্টি প্রয়োজন হলে আমাদের কাছে অর্ডার দিতে পারেন , আমরা কম খরচে আপনার ঠিকানায় নিজ দায়িত্বে দিয়ে আসবো দেশের জনপ্রিয় মিষ্টি গুলো কোনো প্রকার  ডেলিভারি চার্জ ছাড়াই। সর্বনিন্ম ৩ কেজি অর্ডার করলে এই সেবা পাবেন।
প্রতি কেজি  ৭০০ টাকা।
 
Cart